চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী তূর্ণা নিশীথার চালক ও তার সহকারীর দায়িত্বহীনতার কারণে ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা থেকে আখাউড়া রেললাইনটি সিঙ্গেল হওয়ায় সোমবার (১১ নভেম্বর) রাতে উদয়ন ট্রেনকে স্টেশনে অপেক্ষায় রেখে তূর্ণা নিশীথাকে যেতে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। আরো সিদ্ধান্ত ছিল উদয়ন এক্সপ্রেস স্টেশনে প্রবেশের আগ পর্যন্ত মন্দবাগ স্টেশনের আউটারে থাকবে তূর্ণা নিশীথা। তবে সেই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দেয়া তিনটি সিগন্যাল অমান্য করে ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে উদয়নে আঘাত করে তূর্ণা নিশীথা। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেলওয়ে কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনার সময় তূর্ণা নিশীথাকে অটো ব্রেকে রেখেই লোকোমাস্টার ও সহকারী লোকোমাস্টার হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তূর্ণাকে আউটারে থাকতে তিনটি সিগন্যাল দেয়া হয়েছিল মন্দবাগ রেলস্টেশন থেকে। অথচ দুইজন চালক একটি সিগন্যালও অনুসরণ করেনি। এ ছাড়া বাইরে আউটার, হোম, স্টার্টারসহ বেশ কিছু কারিগরি প্রক্রিয়া আছে। এসবের কোনোটাতেই তূর্ণা নিশীথার চালকরা সাড়া দেয়নি। ফলে এই দুর্ঘটনায় পতিত হয়। ...
ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে মায়ের হাত ধরে রাস্তা পেরুনোর সময় বাসের ধাক্কায় নিহত হয়েছে একটি শিশু। বুধবার দুপুর ১টার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত শিশুটির নাম মিলন (৬)। বাসের ধাক্কার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসআই বাচ্চু মিয়া বলেন, “যাত্রাবাড়ি চৌরাস্তায় বেলা ১টার দিকে মায়ের হাত ধরে রাস্তা পার হচ্ছিল মিলন। এসময় একটি যাত্রীবাহী বাস মিলনকে ধাক্কা দিলে সে ছিটকে পড়ে যায়।” ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা দেখে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, মিলন তার পরিবারের সঙ্গে পুরান ঢাকার ধোলাইখালে থাকত। তার বাড়ি গাইবান্ধায়। পুলিশ বাসটির চালককে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম। Source : Bdnews24